শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১, ০৪:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
সকল মান-অভিমান ভূলে নৌকাকে বিজয়ী করতে হবে – জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি-মিলন বাসায় ফিরেছেন প্রিয় নেতা ভাসানচর থানা উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কুষ্টিয়া নাগরিক কমিটি গঠন: সভাপতি ডাঃ মুসতানজিদ। সাধা: সম্পাদক ড. সেলিম তোহা। যুগ্ম সাধা: সম্পাদক সামসুল ওয়াসে সন্ত্রাসী মোস্তাকের টার্গেট নিরীহ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা। ঝিকরগাছার গদখালি ফুলের রাজধানীতে করোনাকালীন সময়ে হচ্ছে না ফুল বিক্রি : চলতি বছরে থাকছে না কোন টার্গেট নলছিটিতে পছন্দের ছেলের সঙ্গে বিয়ে না দেওয়ায় স্কুল ছাত্রীর ওরনায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা কুষ্টিয়া কেএনবি এগ্রো দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেট লীগের উদ্বোধন ভেড়ামারা পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র কে নাগরিক সংবর্ধনা। কুষ্টিয়ায় অবৈধ ইটভাটায় র‌্যাবের অভিযান ॥ ১৮ লাখ টাকা জরিমানা
ঘোষণা :
নিউজ আর এস এ আপনাকে স্বাগতম  

দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে দালালের দৌরাত্ম্যে দিশেহারা রোগীরা

Reporter Name / ৪৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২০, ৮:০০ পূর্বাহ্ন

 

নিউজ ডেস্ক

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনেরা দালালের দৌরাত্ম্যে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। মূল ফটক থেকে ভেতরের ওয়ার্ড পর্যন্ত পুরো হাসপাতাল জুড়ে দালালদের অবাধ বিচরণ ও আধিপত্য বলে অভিযোগ রোগী ও স্বজনদের।
ভুক্তভোগী রোগীরা জানান, বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও রোগনির্ণয় কেন্দ্রের নিয়োগ করা এসব দালালের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালটির স্বাস্থ্যসেবা। মাঝেমধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও পুলিশের অভিযানে দালালের আনাগোনা কিছুটা কমলেও অল্প দিনেই তা আগের অবস্থায় ফিরে আসে।
৬ লাখ জনগণের স্বাস্থ্য সেবার জন্য কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতাল। সরকারি এই স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠানটি এখন দালালদের দখলে বলে অভিযোগ করেছেন বুক্তভোগী রোগী ও তাদের স্বজনরা।
জানা যায়, দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতাল থেকে প্রতিদিন ২শ থেকে ২৫০ জন রোগী চিকিৎসা সেবা নিয়ে থাকেন। এখানে ভর্তি রোগী থাকেন ২৫ থেকে ৩০ জন। দালালদের কারনে মানসম্মত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা। দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতাল থেকে প্রতিনিয়ত রোগীদের ভাগিয়ে বিভিন্ন বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এবং ক্লিনিকে নিয়ে যায়। এই দালালদের মধ্যে অন্যতম মা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালাল খোকন, স্বপন, জীবন অন্যতম, দৌলতপুর ডিজিটাল (কথিত) ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালাল নাজিম, শফি, সুমন। এছাড়াও বেশকিছু দালাল এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে দালালি করেন। এই দালালদের কারনে রোগীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।
দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ তৌহিদুল ইসলাম তুহিন দালালের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে এবিষয়ে জানিয়েছি। তিনি ব্যস্ত আছেন কয়েকদিন পর তিনি মোবাইল কোর্ট বসিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছেন।
এবিষয়ে দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহি অফিসার শারমিন আক্তার এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, দালালদের বিরুদ্ধে খুব শীঘ্রই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হবে। সেই সাথে দালাল নির্ভর অপচিকিৎসার কেন্দ্রগুলো বন্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এই বিষয়ে কুষ্টিয়া—১ (দৌলতপুর) এর সংসদ সদস্য আ: ক: ম সরওয়ার জাহান বাদশাহ্ বলেন, আমি দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স দালালমুক্ত করার জন্য ব্যাবস্থা নিতে সংশি­ষ্ট কতৃপক্ষকে বলেছি, আমি চাই রোগীরা যেন মান সম্মত স্বাস্থ্য সেবা পায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

কুষ্টিয়ায় আরো এক পান্না মাষ্টারের সন্ধান..! লম্পট রাজুর বিরুদ্ধে একাধিক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ প্রতিবাদ করায় ছাত্রীকে হুমকি, নিরাপত্তাহীনতা ও বিচার চেয়ে থানায় এজাহার দায়ের সোহেল রানা কুষ্টিয়া : কুষ্টিয়ায় এক লম্পটের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি ও কু-প্রস্তাবের অভিযোগ উঠেছে । ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীকে বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেছে ওই লম্পট। জানা যায়, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার গোয়ালগ্রাম মধুগাড়ী এলাকার আরজ উল্লাহ’র ছেলে রাজু আহাম্মেদ যার বর্তমান ঠিকানা কুষ্টিয়া শহরের কাটাইখানা মোড়ের একটি বেসরকারি নার্সিং ইনস্টিটিউটের কোর্স সমন্বয়কারী। অত্র ইনস্টিটিউটের ২য় বর্ষের এক ছাত্রীর সাথে পরিচয় হয় তার। পরিচয়ের পর একপর্যায়ে ওই ছাত্রীকে বিভিন্ন ভাবে কু-প্রস্তাব দেয় লম্পট রাজু। কিন্তু ওই ছাত্রী তার কু-প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় রাজু ওই ছাত্রীর ওড়না ধরে টানাটানি, শরীরে বিভিন্ন স্থানে হাত দেওয়া সহ বিভিন্ন ভাবে দীর্ঘদিন ধরে উত্যক্ত করে আসছিল রাজু। বিষয়টি কাউকে জানালে ওই ছাত্রীকে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় ওই লম্পট। ভীত ওই ছাত্রী জানায়, লম্পট রাজু জোরপূর্বক ভাবে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এব্যাপারে ওই ছাত্রী নিরাপত্তাহীনতা ও বিচারের দাবী করে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন।একাধিক সূত্র জানায়, এরকম আরো কয়েকজন শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি দিয়ে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ার চেষ্টা করে লম্পট রাজু। তার ফাঁদে পড়ে অনেকেই সর্বঃস্ব হারিয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে। ওই ছাত্রীর এজাহারের ভিত্তিতে কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি গোলাম মোস্তফার নির্দেশে ওসি তদন্ত অভিযোগকারী ওই ছাত্রীসহ ভুক্তভোগীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরবর্তীতে কুষ্টিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম মোস্তফা বাদী ও ভুক্তভোগীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে সত্যতা পায়। তিনি জানান, নারী নির্যাতনকারী অপরাধী যেই হোক তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অতিদ্রুত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এক ক্লিকে বিভাগের খবর