বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২১, ১০:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
সকল মান-অভিমান ভূলে নৌকাকে বিজয়ী করতে হবে – জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি-মিলন বাসায় ফিরেছেন প্রিয় নেতা ভাসানচর থানা উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কুষ্টিয়া নাগরিক কমিটি গঠন: সভাপতি ডাঃ মুসতানজিদ। সাধা: সম্পাদক ড. সেলিম তোহা। যুগ্ম সাধা: সম্পাদক সামসুল ওয়াসে সন্ত্রাসী মোস্তাকের টার্গেট নিরীহ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা। ঝিকরগাছার গদখালি ফুলের রাজধানীতে করোনাকালীন সময়ে হচ্ছে না ফুল বিক্রি : চলতি বছরে থাকছে না কোন টার্গেট নলছিটিতে পছন্দের ছেলের সঙ্গে বিয়ে না দেওয়ায় স্কুল ছাত্রীর ওরনায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা কুষ্টিয়া কেএনবি এগ্রো দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেট লীগের উদ্বোধন ভেড়ামারা পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র কে নাগরিক সংবর্ধনা। কুষ্টিয়ায় অবৈধ ইটভাটায় র‌্যাবের অভিযান ॥ ১৮ লাখ টাকা জরিমানা
ঘোষণা :
নিউজ আর এস এ আপনাকে স্বাগতম  

বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিয্য ঢেঁকি শিল্প আজ বিলুপ্তির পথে

Reporter Name / ৪০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : বুধবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২০, ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন

আসাদুজ্জামান রনি দৌলতপুর প্রতিনিধিঃ

আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া লেগেছে দেশের প্রতিটা অঞ্চলে। শহর থেকে গ্রামাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান পাল্টে গেছে। মাটির বাড়ির স্থলে উঠেছে ইটের বাড়ি। কুঁড়েঘরের স্থান নিয়েছে দালান। মানুষের জীবনযাত্রাকে আরো সহজ করতে তৈরি করা হয়েছে নানা আধুনিক যন্ত্রপাতি, ব্যবহার হচ্ছে নানা রকম সব প্রযুক্তি।
এসব আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে হারিয়ে যেতে বসেছে এক সময়কার গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য ঢেঁকি শিল্প। পাল্টে গেছে গ্রামের চিত্র। এই আধুনিক যন্ত্রপাতি আর প্রযুক্তির আড়ালে চাপা পড়ে গেছে গ্রামের সেই ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি। এখন ঢেঁকির আর দেখাই মেলে না। ‘ধান ভানি রে, ঢেঁকিতে পার দিয়া। ঢেঁকি নাচে আমি নাচি, হেলিয়া-দুলিয়া। ধান ভানি রে।’ গ্রাম-বাংলার তরুণী-নববধূ, কৃষানিদের কণ্ঠে এ রকম গান এখন আর শোনা যায় না। বিভিন্ন ধরনের যন্ত্র আবিষ্কারের সঙ্গে সঙ্গে সেসব পুরনো ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে। কালের বিবর্তনে ঢেঁকি এখন শুধু ঐতিহ্যের স্মৃতি বহন করে। দিন দিন ঢেঁকি শিল্প বিলুপ্ত হলেও একে সংরক্ষণের কোনো উদ্যোগ নেই।
আবহমান বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি আগের মতো আর চোখে পড়ে না। এক সময় ঢেঁকি ছিল গ্রামীণ জনপদে চাল ও চালের গুঁড়া বা আটা তৈরির একমাত্র মাধ্যম। অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে কৃষক ধান কাটার সঙ্গে সঙ্গে কৃষানিদের ঘরে ধান থেকে নতুন চাল ও চালের গুঁড়া করার ধুম পড়ে যেত। সে চাল দিয়ে পিঠা-পুলি, ফিরনি, পায়েস তৈরি করা হতো। এক সময় গ্রামাঞ্চলে প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই ছিল এই ঢেঁকি। তখন কদরও ছিল। এখন প্রতিটি বাড়িতে তো দূরের কথা, কয়েকটি গ্রাম মিলিয়ে একটি বাড়িতেও ঢেঁকি আছে কিনা তা দেখার বিষয়।
কালের বিবর্তনে যান্ত্রিক আবির্ভাবের জন্য ঢেঁকি আজ বিলুপ্ত প্রায়। এখন আর গ্রাম-বাংলায় ঢেঁকিতে ধান ভানার দৃশ্য চোখেই পড়ে না। শোনা যায় না ঢেঁকির ধুপধাপ শব্দ। কালের বিবর্তনে আধুনিক যুগে সেই ঢেঁকির জায়গা দখল করে নিয়ে বিদ্যুৎচালিত মেশিন, যার মাধ্যমে মানুষ এখন অতি সহজেই অল্প সময়ে ধান থেকে চাল পাচ্ছে। গ্রামে গ্রামে বসছে চাল তৈরির কল। হাতের কাছে বিভিন্ন যন্ত্র আর প্রযুক্তি সহজলভ্য হওয়ায় ঢেঁকির মতো ঐতিহ্যবাহী অনেক কিছুই এখন হারিয়ে যাচ্ছে। এক সময় হয়তো সেসবের দেখা মিলবে কেবল জাদুঘরে।
কুষ্টিয়া সদর উপজেলার কয়েকটি গ্রামে এখনো ঢেকি আছে তবে বছরে শুধু মাত্র কয়েকবার ব্যবহার করে থাকেন গ্রামের মা, বোনেরা। বাংলার ঐতিহ্যগুলো রক্ষার্থে কাজ করতে হবে সবাইকে। নইলে এক সময় ঐতিহ্যগুলোর স্থান হবে জাদুঘরে এবং তা থাকবে শুধু বই পুস্তকেই সীমাবদ্ধ। বাংলায় এক সময় ঢেঁকির গুরুত্ব ও কদর ছিল অনেক। বর্তমানে বৈদ্যুতিক বা আধুনিক যন্ত্রপাতির ছোঁয়াতে তা বিলুপ্তির পথে। ঢেঁকির মতো অনেক বাঙালি ঐতিহ্য আজ বিলুপ্তির পথে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করা উচিত এ ঐতিহ্য।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

কুষ্টিয়ায় আরো এক পান্না মাষ্টারের সন্ধান..! লম্পট রাজুর বিরুদ্ধে একাধিক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ প্রতিবাদ করায় ছাত্রীকে হুমকি, নিরাপত্তাহীনতা ও বিচার চেয়ে থানায় এজাহার দায়ের সোহেল রানা কুষ্টিয়া : কুষ্টিয়ায় এক লম্পটের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি ও কু-প্রস্তাবের অভিযোগ উঠেছে । ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীকে বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেছে ওই লম্পট। জানা যায়, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার গোয়ালগ্রাম মধুগাড়ী এলাকার আরজ উল্লাহ’র ছেলে রাজু আহাম্মেদ যার বর্তমান ঠিকানা কুষ্টিয়া শহরের কাটাইখানা মোড়ের একটি বেসরকারি নার্সিং ইনস্টিটিউটের কোর্স সমন্বয়কারী। অত্র ইনস্টিটিউটের ২য় বর্ষের এক ছাত্রীর সাথে পরিচয় হয় তার। পরিচয়ের পর একপর্যায়ে ওই ছাত্রীকে বিভিন্ন ভাবে কু-প্রস্তাব দেয় লম্পট রাজু। কিন্তু ওই ছাত্রী তার কু-প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় রাজু ওই ছাত্রীর ওড়না ধরে টানাটানি, শরীরে বিভিন্ন স্থানে হাত দেওয়া সহ বিভিন্ন ভাবে দীর্ঘদিন ধরে উত্যক্ত করে আসছিল রাজু। বিষয়টি কাউকে জানালে ওই ছাত্রীকে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় ওই লম্পট। ভীত ওই ছাত্রী জানায়, লম্পট রাজু জোরপূর্বক ভাবে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এব্যাপারে ওই ছাত্রী নিরাপত্তাহীনতা ও বিচারের দাবী করে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন।একাধিক সূত্র জানায়, এরকম আরো কয়েকজন শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি দিয়ে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ার চেষ্টা করে লম্পট রাজু। তার ফাঁদে পড়ে অনেকেই সর্বঃস্ব হারিয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে। ওই ছাত্রীর এজাহারের ভিত্তিতে কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি গোলাম মোস্তফার নির্দেশে ওসি তদন্ত অভিযোগকারী ওই ছাত্রীসহ ভুক্তভোগীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরবর্তীতে কুষ্টিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম মোস্তফা বাদী ও ভুক্তভোগীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে সত্যতা পায়। তিনি জানান, নারী নির্যাতনকারী অপরাধী যেই হোক তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অতিদ্রুত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এক ক্লিকে বিভাগের খবর