বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ০১:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
হাফেজা হলেন সৈয়দা রাশিদা বেগম এমপির নাতনি আদিবা আয়েশা সোহা। নিজের অপকর্ম ঢাকতে নিজ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ৬শিক্ষক-শিক্ষিকার বিরুদ্ধে জঙ্গীবাদ ও ধর্ষণচেষ্টার মিথ্যা অভিযোগ আদিবা আয়েশা বাংলাদেশ যুব ছায়া সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। সাংবাদিকের মোঃ শামীম আসরাফের উপর সন্ত্রাসী হামলা কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২০ টাকায় সরকারি চাকুরী পেলেন ওরা ১৬ জন ইঞ্জিনিয়ার্স ফাউন্ডেশন দৌলতপুর (ইএফডি) এর পূনাঙ্গ উপ-কমিটি প্রকাশ করা হয়েছে। ড্রীম ইন্টেরিয়র ডিজাইনের নাম পরিবর্তন করে, চাঁদ ইন্টেরিয়র ডেকোরেশন নামকরণ করা হয়েছে। গ্রেনেড হামলাঃ কুষ্টিয়ায় ছাত্রলীগ নেতা চ্যালেঞ্জ এর উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ওহিদুল ইসলাম বাদল এর সহযোগীতায় এবং শাইখ আল জাহান শুভ্র এর তত্ত্বাবধানে মিলাদ মাহফিল আয়োজন। দৌলতপুরে অধ্যক্ষ ও সাংবাদিকের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে মানববন্ধন
ঘোষণা :
নিউজ আর এস এ আপনাকে স্বাগতম  
করোনা ও সরওয়ার জাহান বাদশাহ্ পর্ব-৩ কৃতজ্ঞ শুধু আমি না,কৃতজ্ঞ দৌলতপুরবাসি। আপনার মত এক জন অভিভাবক পেয়ে দৌলতপুরবাসি ধন্য। করোনা আমাদের কে অনেক কিছু শিখিয়ে দিচ্ছে, চোখে আংগুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে অনেক কিছু। আমরা যারা রাজনীতি করি সকলেই বলি রাজনীতি সাধারন মানুষের জন্য করি, দেশের জন্য করি। কিন্তু সাধারন মানুষের বিপদে, দেশের ক্লান্তি লগ্নে খুব কম মানুষ কেই দেখা যায়। দেশ লকডাউন হয়েছে ২৫ সে মার্চ আর আমাদের নেতা স-শরিরে মাঠে নেমেছেন ১৪ মার্চ থেকে। জনসাধারণ কে সচেতন করতে প্রশাসনের পাসাপাসি এমপি মহাদয় নিজ উদ্যোগে বের করেন প্রচার মাইক। আমাদের স্বাস্থ্যখাতের অবস্থা কম বেশি সবার ই জানা।সীমাবদ্ধতাও আছে কম বেশি। প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সামগ্রী সংকট দেখা দিয়েছিলে সারা দেশেই। দৌলতপুর ও তার বাইরে নয়।সরকারী ভাবে কি আসবে ও কবে আসবে এ বর্ডার এলাকার মানুষ কবে পাবে তার জন্য অপেক্ষা না করে, নিজস্ব অর্থায়ানে বিতরণ করলেন স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী। যারা এ করোনায় সম্মুখ যোদ্ধা( ডাক্তার,পুলিশ,স্বেচ্ছা সেবক, সাংবাদিক) তাদের কে দেয়া হলো পি,পি,ই,মাক্স,হ্যান্ড ওয়াস ও হ্যান্ড স্যনিটাইজার। দেয়া হলে হসপিটালের ডাক্তার ও স্টাফদের। করোনা রুগির সেবা দিতা গিয়ে কেও যেন নিজে আক্রান্ত না হয়ে যায়। সেই সাথে চেয়ারম্যান, পুলিশ ও স্বেচ্ছাবকগনদের কেও ভুলেন নি এ গুলো দিতে। স্পেশাল ভাবে হসপিটালে একটা গাড়ির ব্যাবস্থা করলেন। কারো মাঝে করোনা উপসর্গ দেখা গেলেই ডাক্তারদের একটি দল সে গাড়িতে করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে যেন রক্তের স্যাম্পল কালেকশন করতে পারেন।করোনা উপসর্গ নিয়ে তাদের যেন দৌড় ঝাপ করতে না নয়। ফোন করলেই পৌঁছে যাচ্ছে ঘর দোয়ারে ডাক্তার। সেই সাথে বাড়ানো হলো ডাক্তার সেবাও৷ করোনা আসাএ আগেই নতুন করে ১৯ জন ডাক্তার যোগদান করানো হলো দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। চিকিৎসা সেবা যেন আরো ভালো হয় সে চেষ্টা চলছে। জনসাধারণের জন্য তিনি কতটা ভাবেন সেটার একটা বাস্তব উদাহরন না দিলেই নয়। এ তো সে দিনের কথা। এমপি মহাদয়ের কাছে ফোন আসলো ঢাকা থেকে এক জন করোনা রুগি বাড়িতে আসছে।তার বাড়ি দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর গ্রামে।সে সময় করোনার ভয়াবহতা সম্পর্কে নতুন করে কাউকে বুঝানোর প্রয়োজন ছিলো না। ফোন পেয়ে এমপি যেন আতকে উঠলেন।হায় হায় করোনা রুগি যদি এলাকা আসে তাহলে তো মহা বিপদ। সে যে দিক দিয়ে আসবে সে দিকেই তো আক্রান্ত করবে।ঢাকা থেকে বাড়ি পৌঁছাতে কত জন কে আক্রান্ত করবে আল্লাহ মালুম।তাকে যে ভাবেই হোক আটকাতে হবে।এমপি সাহেব তার ছেলে কে রুগির গ্রামের বাড়ি পাঠিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করলেন কিন্তু লাভ হলো না। ফোন নাম্বার সংগ্রহ করে রুগির সাথে কথা বলা হলো। সেও মানতে নারাজ। এমপি মহাদয় তারে বললেন তুমি যেখানে আছো থাক আমি গাড়ি পাঠিয়ে তোমার ঢাকাতে চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি।তোমার সকল কিছুর দায়িত্ব আমার। কিন্তু না সে কোনভাবেই শুনবে না। আর শুনবেনই বা কেন??? করোনা রুগি শুনেই তো আমরা ছি ছি করে দুরে ঠেলে দিচ্ছি। সে সময় আরো একটি গুজব ছিলো যে করোনা রুগি কে ডাক্তার রা ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেলতেছে। সে যদি ঢাকা ফিরে তাকেও মেরে ফেলা হবে। পরে অনেক কষ্টে পুলিশের সহায়তায় রাজবাড়ি তে পাওয়া গেলো।রাজবাড়ি হসপিটালে চিকিৎসা দেয়া সম্ভব না হলে তাকে কুষ্টিয়া সদর হসপিটালে নিয়ে আসা হলো। সে যখন দৌলতপুরের মানুষ তার দ্বায়ভার অন্য এলাকার মানুষ নিবে না এটাই স্বাভাবিক। করোনা রুগি বাইরে থেকে কুষ্টিয়াতে কেন আনাহল এটা নিয়ে আমাদের একশ্রেনীর সুশিল সোশ্যাল মিডিয়াতে ঝড় তুললেন। এটা নাকি খাল কেটে কুমির আনা হয়েছে..আরো কতো কথা! এমপি সাহেব কোন দিকে কান না দিয়ে আমাদের কুষ্টিয়া উন্নয়নের রুপকার,কুষ্টিয়া তথা সারা বাংলার অহংকার,জননেতা মাহবুব উল হানিফ ভাইয়ের সাথে কথা বলে কুষ্টিয়া জেনারেল হসপিটালে তার সু চিকিৎসার ব্যাবস্থা করলেন।ভোট চাইতে যেতে পেরেছি বিপদেও পাসে থাকতে পারবো।আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষের দায়িত্ব আমার।শত সুশীলের প্রশ্নের উত্তর নিয়ে ১০ দিন সে ও তার মেয়ে সুচিকৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন। এটাই হয়তো জননেতার সংজ্ঞা। শুধু ভোটের সময় না জনসাধারণের বিপদেও পাশে ছুটে আসেন। নিজে খোঁজ রাখছেন, নেতা কর্মিদের দিয়ে খোঁজ নিচ্ছেন। চলবে…. তাশফীন আব্দুল্লাহ্ সহ-সভাপতি কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগ ।

করোনা ও সরওয়ার জাহান বাদশাহ্
পর্ব-৩
কৃতজ্ঞ শুধু আমি না,কৃতজ্ঞ দৌলতপুরবাসি।
আপনার মত এক জন অভিভাবক পেয়ে দৌলতপুরবাসি ধন্য।
করোনা আমাদের কে অনেক কিছু শিখিয়ে দিচ্ছে, চোখে আংগুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে অনেক কিছু। আমরা যারা রাজনীতি করি সকলেই বলি রাজনীতি সাধারন মানুষের জন্য করি, দেশের জন্য করি। কিন্তু সাধারন মানুষের বিপদে, দেশের ক্লান্তি লগ্নে খুব কম মানুষ কেই দেখা যায়। দেশ লকডাউন হয়েছে ২৫ সে মার্চ আর আমাদের নেতা স-শরিরে মাঠে নেমেছেন ১৪ মার্চ থেকে।
জনসাধারণ কে সচেতন করতে প্রশাসনের পাসাপাসি এমপি মহাদয় নিজ উদ্যোগে বের করেন প্রচার মাইক। আমাদের স্বাস্থ্যখাতের অবস্থা কম বেশি সবার ই জানা।সীমাবদ্ধতাও আছে কম বেশি। প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সামগ্রী সংকট দেখা দিয়েছিলে সারা দেশেই। দৌলতপুর ও তার বাইরে নয়।সরকারী ভাবে কি আসবে ও কবে আসবে এ বর্ডার এলাকার মানুষ কবে পাবে তার জন্য অপেক্ষা না করে, নিজস্ব অর্থায়ানে বিতরণ করলেন স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী। যারা এ করোনায় সম্মুখ যোদ্ধা( ডাক্তার,পুলিশ,স্বেচ্ছা সেবক, সাংবাদিক) তাদের কে দেয়া হলো পি,পি,ই,মাক্স,হ্যান্ড ওয়াস ও হ্যান্ড স্যনিটাইজার।
দেয়া হলে হসপিটালের ডাক্তার ও স্টাফদের।
করোনা রুগির সেবা দিতা গিয়ে কেও যেন নিজে আক্রান্ত না হয়ে যায়। সেই সাথে চেয়ারম্যান, পুলিশ ও স্বেচ্ছাবকগনদের কেও ভুলেন নি এ গুলো দিতে।
স্পেশাল ভাবে হসপিটালে একটা গাড়ির ব্যাবস্থা করলেন। কারো মাঝে করোনা উপসর্গ দেখা গেলেই ডাক্তারদের একটি দল সে গাড়িতে করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে যেন রক্তের স্যাম্পল কালেকশন করতে পারেন।করোনা উপসর্গ নিয়ে তাদের যেন দৌড় ঝাপ করতে না নয়। ফোন করলেই পৌঁছে যাচ্ছে ঘর দোয়ারে ডাক্তার। সেই সাথে বাড়ানো হলো ডাক্তার সেবাও৷
করোনা আসাএ আগেই নতুন করে ১৯ জন ডাক্তার যোগদান করানো হলো দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।
চিকিৎসা সেবা যেন আরো ভালো হয় সে চেষ্টা চলছে।
জনসাধারণের জন্য তিনি কতটা ভাবেন সেটার একটা বাস্তব উদাহরন না দিলেই নয়।
এ তো সে দিনের কথা। এমপি মহাদয়ের কাছে ফোন আসলো ঢাকা থেকে এক জন করোনা রুগি বাড়িতে আসছে।তার বাড়ি দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর গ্রামে।সে সময় করোনার ভয়াবহতা সম্পর্কে নতুন করে কাউকে বুঝানোর প্রয়োজন ছিলো না।
ফোন পেয়ে এমপি যেন আতকে উঠলেন।হায় হায় করোনা রুগি যদি এলাকা আসে তাহলে তো মহা বিপদ।
সে যে দিক দিয়ে আসবে সে দিকেই তো আক্রান্ত করবে।ঢাকা থেকে বাড়ি পৌঁছাতে কত জন কে আক্রান্ত করবে আল্লাহ মালুম।তাকে যে ভাবেই হোক আটকাতে হবে।এমপি সাহেব তার ছেলে কে রুগির গ্রামের বাড়ি পাঠিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করলেন কিন্তু লাভ হলো না। ফোন নাম্বার সংগ্রহ করে রুগির সাথে কথা বলা হলো। সেও মানতে নারাজ। এমপি মহাদয় তারে বললেন তুমি যেখানে আছো থাক আমি গাড়ি পাঠিয়ে তোমার ঢাকাতে চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি।তোমার সকল কিছুর দায়িত্ব আমার।
কিন্তু না সে কোনভাবেই শুনবে না। আর শুনবেনই বা কেন???
করোনা রুগি শুনেই তো আমরা ছি ছি করে দুরে ঠেলে দিচ্ছি। সে সময় আরো একটি গুজব ছিলো যে করোনা রুগি কে ডাক্তার রা ইনজেকশন দিয়ে মেরে ফেলতেছে।
সে যদি ঢাকা ফিরে তাকেও মেরে ফেলা হবে।
পরে অনেক কষ্টে পুলিশের সহায়তায় রাজবাড়ি তে পাওয়া গেলো।রাজবাড়ি হসপিটালে চিকিৎসা দেয়া সম্ভব না হলে তাকে কুষ্টিয়া সদর হসপিটালে নিয়ে আসা হলো। সে যখন দৌলতপুরের মানুষ তার দ্বায়ভার অন্য এলাকার মানুষ নিবে না এটাই স্বাভাবিক।
করোনা রুগি বাইরে থেকে কুষ্টিয়াতে কেন আনাহল এটা নিয়ে আমাদের একশ্রেনীর সুশিল সোশ্যাল মিডিয়াতে ঝড় তুললেন।
এটা নাকি খাল কেটে কুমির আনা হয়েছে..আরো কতো কথা!
এমপি সাহেব কোন দিকে কান না দিয়ে আমাদের কুষ্টিয়া উন্নয়নের রুপকার,কুষ্টিয়া তথা সারা বাংলার অহংকার,জননেতা মাহবুব উল হানিফ ভাইয়ের সাথে কথা বলে কুষ্টিয়া জেনারেল হসপিটালে তার সু চিকিৎসার ব্যাবস্থা করলেন।ভোট চাইতে যেতে পেরেছি বিপদেও পাসে থাকতে পারবো।আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষের দায়িত্ব আমার।শত সুশীলের প্রশ্নের উত্তর নিয়ে ১০ দিন সে ও তার মেয়ে সুচিকৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন।
এটাই হয়তো জননেতার সংজ্ঞা।
শুধু ভোটের সময় না জনসাধারণের বিপদেও পাশে ছুটে আসেন। নিজে খোঁজ রাখছেন, নেতা কর্মিদের দিয়ে খোঁজ নিচ্ছেন।

চলবে….

তাশফীন আব্দুল্লাহ্
সহ-সভাপতি
কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রলীগ ।

কুষ্টিয়ায় আরো এক পান্না মাষ্টারের সন্ধান..! লম্পট রাজুর বিরুদ্ধে একাধিক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ প্রতিবাদ করায় ছাত্রীকে হুমকি, নিরাপত্তাহীনতা ও বিচার চেয়ে থানায় এজাহার দায়ের সোহেল রানা কুষ্টিয়া : কুষ্টিয়ায় এক লম্পটের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি ও কু-প্রস্তাবের অভিযোগ উঠেছে । ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীকে বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেছে ওই লম্পট। জানা যায়, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার গোয়ালগ্রাম মধুগাড়ী এলাকার আরজ উল্লাহ’র ছেলে রাজু আহাম্মেদ যার বর্তমান ঠিকানা কুষ্টিয়া শহরের কাটাইখানা মোড়ের একটি বেসরকারি নার্সিং ইনস্টিটিউটের কোর্স সমন্বয়কারী। অত্র ইনস্টিটিউটের ২য় বর্ষের এক ছাত্রীর সাথে পরিচয় হয় তার। পরিচয়ের পর একপর্যায়ে ওই ছাত্রীকে বিভিন্ন ভাবে কু-প্রস্তাব দেয় লম্পট রাজু। কিন্তু ওই ছাত্রী তার কু-প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় রাজু ওই ছাত্রীর ওড়না ধরে টানাটানি, শরীরে বিভিন্ন স্থানে হাত দেওয়া সহ বিভিন্ন ভাবে দীর্ঘদিন ধরে উত্যক্ত করে আসছিল রাজু। বিষয়টি কাউকে জানালে ওই ছাত্রীকে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় ওই লম্পট। ভীত ওই ছাত্রী জানায়, লম্পট রাজু জোরপূর্বক ভাবে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এব্যাপারে ওই ছাত্রী নিরাপত্তাহীনতা ও বিচারের দাবী করে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন।একাধিক সূত্র জানায়, এরকম আরো কয়েকজন শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি দিয়ে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ার চেষ্টা করে লম্পট রাজু। তার ফাঁদে পড়ে অনেকেই সর্বঃস্ব হারিয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে। ওই ছাত্রীর এজাহারের ভিত্তিতে কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি গোলাম মোস্তফার নির্দেশে ওসি তদন্ত অভিযোগকারী ওই ছাত্রীসহ ভুক্তভোগীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরবর্তীতে কুষ্টিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম মোস্তফা বাদী ও ভুক্তভোগীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে সত্যতা পায়। তিনি জানান, নারী নির্যাতনকারী অপরাধী যেই হোক তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অতিদ্রুত অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।